Breaking News
Home > অপরাধ > ‘খাবারের লোভ দেখিয়ে ৪ বছরের অবুঝ শিশু তানহাকে ধর্ষণের পর হত্যা’

‘খাবারের লোভ দেখিয়ে ৪ বছরের অবুঝ শিশু তানহাকে ধর্ষণের পর হত্যা’

রাজধানীর বাড্ডায় খাবারের লোভ দেখিয়ে চার বছরের অবুঝ শিশু তানহাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার আব্দুল বাতেন।

সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তানহা নামে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় শিপন(৩৫) নামে এ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের একটি টিম। এই সময় শিপনের বাসা থেকে রক্তমাখা তোয়ালে আলামত হিসাবে জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল বাতেন বলেন, তানহা তার বাবা-মায়ের সাথে বাড্ডার আদর্শনগরের মিনহাজ সাহেবের বাসায় ভাড়া থাকতেন। গত রোববার পার্শ্ববর্তী আমিন সাহেবের বাসায় জাহেদা আক্তার কলি নামে নতুন ভাড়াটিয়া আসে। গ্রেপ্তার শিপন স্ত্রীসহ জাহেদার বাসার পাশে একটি রুমে ভাড়া থাকে। শিপন ডাকাতি মামলায় ৫ বছর জেল খাটে। এখন সে দিন মজুরের কাজ করে। তার স্ত্রী একজন গার্মেন্টসকর্মী।

গতকাল রোববার বিকাল ৫টায় দিকে শিশু তানহা জাহেদা আক্তার কলি নতুন বাসা থেকে শিপনের ঘরের সামনে দিয়ে নিজের ঘরে ফিরছিল। শিপন তখন খাবারের লোভ দেখিয়ে বাচ্চাটিকে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর শিপন শিশু তানহাকে ধর্ষণ করে। এ সময় তানহা চিৎকার করলে শিপন তার গলা চেপে ধরে হত্যা করে। পরে তানহার লাশ বাসার টয়লেটে ফেলে দেয়।

উল্লেখ্য, শিশু তানহার বাবা মেহেদী হাসান প্রাইভেটকার চালক। মা সুলতানা বেগম গৃহিণী। তারা একমাত্র মেয়ে তানহাকে নিয়ে মধ্যবাড্ডার আদর্শনগর এলাকার মিনহাজ মিয়ার বাড়িতে থাকেন।

শিশুটির মা সুলতানা বেগম জানান, তারা যে বাড়িতে থাকেন ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন কলি নামে এক নারী ও তার স্বামী। তারা দু’দিন আগে এ বাসা থেকে ১০০ গজ দূরে পাশের বাড়িতে ভাড়ায় উঠেছেন।

তিনি বলেন, রোববার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে তানহা আমাকে বলে কলি আন্টির বাসায় বেড়াতে যাব। আমি বলি যাও, তাড়াতাড়ি চলে এসো। বাসা থেকে বের হওয়ার পর সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও ফিরছিল না তানহা।

সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পাশের বাড়ির এক নারী বাথরুমে যান। তিনি দেখেন টয়লেটের কমোডে মাথা গোজানো অবস্থায় পড়ে আছে তানহা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি এসে খবর দেন। এরপর গিয়ে দেখি মেয়ে আমার সেখানে পড়ে আছে।

তিনি জানান,যখন দেখলাম মেয়ের গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। প্রথমে স্থানীয় মেডিলিংক হাসপাতালে নিয়ে যাই, তারপর আল সামি ক্লিনিক এবং পরে বাড্ডা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু কোনো হাসপাতালের চিকিৎসকই দেখতে রাজি হলেন না। তাদের একই কথা, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে বুঝতে পারলাম আমার মেয়ে মারা গেছে।

এরপর তাকে বাসায় নিয়ে আসি। ওই বাড়ির পাশের আরেকটি বাসায় বসে আছেন তানহার বাবা মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে যাই, ফিরি রাতে। আমারতো কোনো শত্রু নেই। এই বাসায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে আছি। কিন্তু কে আমার এমন সর্বনাশ করল। আমার মেয়ে গেছে, আরতো মেয়ে পাব না। আমি আমার মেয়ে হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

Check Also

পেটের দায়ে এই বয়সে যা করে বেরাচ্ছে এই ছোট মেয়েটি দেখুন ভিডিও তে।

পেটের দায়ে এই বয়সে যা করে বেরাচ্ছে এই ছোট মেয়েটি দেখুন ভিডিও তে। বি: দ্র …