Breaking News
Home > অন্যান্য > যারা বউ রেখে বিদেশ থাকেন এ ভিডিও শুধু তাদের জন্য…

যারা বউ রেখে বিদেশ থাকেন এ ভিডিও শুধু তাদের জন্য…

রুটা ছিলো স্মরণীয়। সময়টা ২০০৭ সাল। দ্বিতীয় শ্রেণীতে পুড়ুয়া মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যেতেন তিনি। আসা-যাওয়ার পথে প্রায়ই দেখা হতো এক যুবকের সঙ্গে। সুঠামদেহী এই যুবক অপলক তার দিকে তাকিয়ে থাকতেন। কিছু একটা বোঝাতে চেষ্টা করতেন শ্যামলীকে। সুযোগ পেলেই এই যুবক যে তার সঙ্গে কথা বলবে এতে কোন সন্দেহ নেই। ত্রিশোর্ধ শ্যামলী তা বেশ উপভোগ করতেন। কিন্তু এসবে জড়ানোর কোন ইচ্ছে ছিলো না তখন। যুবকের আচরণে কলেজ জীবনের প্রথম বর্ষের দিনগুলো মনে পড়তো খুব। কিন্তু এখন সেই সময়, অবস্থান নেই। শ্যামলীর স্বামী আছে। সন্তান আছে। তিনি জড়াতে চান না কিছুতেই। যদিও যুবককের সঙ্গে কখনও কখনও দেখা না হলে কিছু খারাপ লাগে- তা অনুভব করেন। তবু তাকে পাত্তা দিতে রাজি না তিনি।

কিন্তু যুবক নাছোড়বান্দা। একদিন একদম কাছাকাছি দুজন। সেদিন বাসে চড়ে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গুলশানে যাচ্ছিলেন তিনি। বাসে প্রচন্ড ভীড়। এরমধ্যেই তাকে উঠতে হয়। নারী সীটগুলো যাত্রীতে পূর্ণ দাঁড়িয়ে থাকেন। পাশে একটি সীট ছেড়ে যাত্রী নামেন। তাড়াহুড়া করে বসতেই দেখেন পাশের জন সেই যুবক। যুবকও চমকে উঠেন। তিনিও ভাবতে পারেননি এভাবে এই নারীর কাছাকাছি বসার সৌভাগ্য হবে তার।

পথচলতে বারবার দেখার সুবাধে যুবকই জিজ্ঞাসা করেন, কেমন আছেন? তারপর পুরো পরিচয়, পরিবারে কে কে থাকেন.. কিছুই বাদ যায়নি তাদের আলাপচারিতায়। এই যুবকের নাম আনিস। কাজ করেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মতিঝিলে। মহাখালীতে যানজটে আটকে যায় বাস। আনিস মুচকি হাসেন। ভালোই হলো, আপনার সঙ্গে আরও কিছু সময় কাটানো যাবে। নিজের অজান্তেই মিষ্টি হাসির আভা ছড়িয়ে যায় শ্যামলীর ঠোঁট থেকে। আনিস তাতেই আপ্লুত। শ্যামলীর ছোট্ট মেয়েটির গাল টেনে আদর করে দেন আনিস। গুলশান-১ নেমে যান শ্যামলী। আনিস জানালা দিয়ে হাত নেড়ে বিদায় জানান। জবাবে শ্যামলী মিষ্টি হাসি দেন।

এর দিন পরে মেয়েকে স্কুলে দিতে গেলে দেখা হয় আনিসের সঙ্গে। সেদিন পাশের কফি হাউসে বসেন দুজন। কফি পান করেন। ওই দিনই ফোন নম্বর চেয়ে নেন আনিস। তারপর থেকেই শ্যামলীর প্রতি দায়িত্বশীল আনিস। প্রতিদিনই ফোনে খোঁজ-খবর নেন। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে। প্রথমে অল্প সময়। পরে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পর্যন্ত। দীর্ঘ সময় কথা হয় তাদের। হাসি-তামাশা হয়। এরমধ্যেই প্রবাসী স্বামী কল দিয়ে ফোন ব্যস্ত পান দীর্ঘ সময়। পরে মিথ্যা কথা বলে রক্ষা পান শ্যামলী। বিষয়টি আনিসের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।

পরবর্তীতে নতুন সংযোগসহ শ্যামলীকে একটি মোবাইলফোন উপহার দেন আনিস। ওই ফোনেই কথা হয় দুজনের। এই ফোনটি শুধুই আনিসের জন্য। আগের মোবাইলফোনে স্বামীসহ অন্যান্যরা কথা বলেন। আনিসের সঙ্গে কথা হয় গভীর রাত পর্যন্ত। বিশেষ করে বন্ধের দিনের আগের পুরো রাতই কথা বলে পার করে দেন তারা।

মোটরসাইকেলে করে শ্যামলীকে অফিসে পৌঁছে দেন। আবার বাসায় নিয়ে যান। বন্ধের দিন ছোট্ট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তারা বেড়াতে যান বিভিন্নস্থানে। এভাবে আর ভালো লাগে না। কাছে পেতে ইচ্ছে করে দুজনকে দুজনেরই। অবিবাহিত আনিস জানান, শ্যামলীর স্বামী-সন্তান না থাকলে তাকে বিয়ে করতেন তিনি। এভাবে থাকা খুব কষ্টকর। তারপর থেকে মাঝে মাঝে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে বাসায় সময় কাটাতেন আনিস ও শ্যামলী।

বিশেষ করে শ্যামলীর মেয়েটি যখন স্কুল থাকতো। ওই সময়টাই বেছে নিতেন তারা। এভাবে চলতে থাকে কয়েক মাস। পরে কখনও কখনও রাতেও একসঙ্গে থাকতেন তারা। বিষয়টি বাড়ির প্রহরীর দৃষ্টি এড়াতে পারেনি। এক বিকালে শ্যামলীর কাছে জানতে চান, ম্যাডাম ওই লোকটি প্রায়ই বাসায় আসেন। তিনি কি হোন আপনার?

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Check Also

screenshot_62

পরকীয়া প্রেমিকের সাথেই ঘটা করে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন স্বামী।কারন জানলে অবাক হবেন আপনিও

পরকীয়ার পরে সংসারে অশান্তি, নিত্য গণ্ডগোল এবং সবশেষে বিষাদের বিবাহ-বিচ্ছেদ। বহু সংসারেই এই অশান্তি লেগেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *