Breaking News
Home > অপরাধ > নারীকণ্ঠ কিন্তু ওরা নারী নয়!! ওরা…

নারীকণ্ঠ কিন্তু ওরা নারী নয়!! ওরা…

নারীকণ্ঠে কথা বলে প্রেমের অভিনয় করেন যুবকটি। টেলিফোনের অপর প্রান্তে থাকা ভারতের কসবার বাসিন্দা যুবক রীতিমতো মুগ্ধ। ‘বান্ধবী’কে ক্যামেরা আর ট্যাব কেনার জন্য ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে দেন। টাকা পেয়ে উধাও হয়ে যায় ওই ‘বান্ধবী’। গোয়েন্দা পুলিশের তদন্ত শেষে অপরাধীর পরিচয় জেনে মাথায় বাজ পড়ার মতো অবস্থা অভিযোগকারী যুবকের। এতোদিন যে ‘বান্ধবী’ সুমিষ্ট স্বরে প্রেমের অভিনয় করেছেন, তিনি আসলে একজন জলজ্যান্ত পুরুষ। নাম সৌমেন দাস। তার বয়স ২২।

হলদিয়া সরকারি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। সৌমেন ও তার বন্ধু জয়ন্ত কোটালকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সৌমেন যখন লালবাজারের সাইবার ক্রাইম থানার কর্মকর্তাদের সামনে নারী কণ্ঠে কথা বলতে শুরু করেন, তখন অবাক হয়ে যান গোয়েন্দারাও। যদিও সাধারণভাবে সৌমেন এই কণ্ঠে কথা বলেন না। তার বাস্তবের গলা পুরুষালি ও রাশভারী। কিন্তু কোনো অপরাধ ঘটানোর সময় মুহূর্তের মধ্যে নিজের গলা পাল্টে ‘নারীকণ্ঠী’ হয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তার।

থানা সূত্রে খবর, সুমিত নামে কসবার বাসিন্দা ওই যুবককে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় এক ‘তরুণী’। ‘মিষ্টি মেখলা’ নামে ওই ফেসবুক প্রোফাইলে ছিল এক সুন্দরীর ছবি। তার অনুরোধে যুবক নিজের মোবাইল ফোনের নম্বর দেন। একদিন যুবককে ফোন করেন ওই ‘বান্ধবী’। তার সুমিষ্ট মেয়েলি কণ্ঠ শুনে মুগ্ধ হন যুবক। একেকবার একেকটি সিমকার্ড থেকে ফোন করেন ওই ‘বান্ধবী’। যুবকের হয়ে অনলাইনে ক্যামেরা ও ট্যাব কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। ‘বান্ধবী’কে বিশ্বাস করে একটি অ্যাকাউন্টে কয়েকবারে ৪৫ হাজার ৩০০ টাকা পাঠান সুমিত। কিন্তু ক্যামেরা ও ট্যাব আর তার হাতে আসেনি।

পরে সুমিত লালবাজারের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে, ওই অ্যাকাউন্টটি হলদিয়ার বাসিন্দা জয়ন্ত কোটালের। সেই সূত্র ধরে জয়ন্তকে গোয়েন্দারা গ্রেফতার করে। জেরার মুখে সে স্বীকার করে যে, তার বন্ধু সৌমেন নারীকণ্ঠে কথা বলে এই প্রতারণা করেন। সৌমেনকে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে ১১টি সিমকার্ড, ট্যাব, ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়। এর আগেও সৌমেন ও জয়ন্ত এই ধরনের অপরাধ করেছে বলে ধারণা করছেন গোয়েন্দারা। তাদের জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

Check Also

বনানীর ধর্ষণের আসল ভিডিও ফাঁস করলো গাড়ি চালক। আপনি নিজেও সহ্য করতে পারবেন না ভিডিওটি দেখে।

এই ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *