Breaking News
Home > জাতীয় > দেশে এই প্রথম বাসের ভেতর ছাতা ও কলাগাছ ব্যাবহার। পড়ুন বিস্তারিত

দেশে এই প্রথম বাসের ভেতর ছাতা ও কলাগাছ ব্যাবহার। পড়ুন বিস্তারিত

গাড়ির ভিতরে ফ্যান নেই, লাইট নেই। নেই জানালায় কোন পর্দা, সিটের কভারের কাপড়গুলো স্যাঁতসেঁতে। বৃষ্টি হলেই ঝপঝপ করে পানি পড়ে যাত্রীদের গায়ে। বৃষ্টির পানিতে বাসের ভিতরে ও বক্সে রাখা যাত্রীদের ল্যাগেজ ভিজে একাকার হয়ে যায়। এক রকম নাকানি-চুবানি হওয়ার মতো অবস্থা। বাসগুলো লক্কর-ঝক্কর মার্কা হওয়ায় প্রায়শ পথিমধ্যে নষ্ট হয়ে যাত্রীরা দুর্ভোগের মুখে পড়েন। এ হচ্ছে খুলনা-শরণখোলা (রায়েন্দা) রুটে চলাচলকারী সরকারি বিআরটিসি বাসের সেবার নমুনা। শরণখোলা থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ঢাকা মেট্রো. ব-১১-০০১২ নম্বরবাহী বিআরটিসি বাসে উঠে দেখা যায় এসব চিত্র। ঢাকা মেট্রো. ব-১১-৩৪৬৯ নম্বরবাহী অপর বাসের অবস্থা একই রকম। প্রথমোক্ত বাসের যাত্রী চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, শরণখোলা থেকে খুলনায় নিয়মিত বিআরটিসির দু’টি বাস চলাচল করে। বাস দু’টির একই অবস্থা। এছাড়া, অন্য কোন বাস সরাসরি চলাচল করে না। বিধায়, শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জের অধিকাংশ মানুষের খুলনায় যাতায়াতে তাদের বিআরটিসির বাস একমাত্র ভরসা। বর্ষার পানি থেকে রেহাই পেতে বাসের সুপারভাইজারের দেয়া কলা গাছের পাতা ও নিজস্ব ছাতা মাথায় দিয়ে কষ্ট করে হলেও বিআরটিসি বাসে সরাসরি চলাচল করতে হচ্ছে যাত্রীদের। অপর যাত্রী শরণখোলা উপজেলা হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা তালুকদার ফরহাদ হোসেন জানান, বাসের জানালায় কোন পর্দা নেই। এজন্য রোদে পুড়তে হয়। লাইট না থাকায় সন্ধ্যার পর থাকতে হয় অন্ধকারে। এ সময় নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ফ্যান না থাকায় ভ্যাপসা গরমে যাত্রীরা হাঁপিয়ে উঠেন। অন্যান্য যাত্রীরা একই অভিযোগ করে বলেন, শরণখোলা ও মোড়েলগঞ্জের মানুষ খুলনা কেন্দ্রিক। চিকিৎসা, অফিসিয়াল ওয়ার্ক, কেনাকাটাসহ যেকোন কাজে হরহামেশা তাদেরকে খুলনায় যাতায়াতে করতে হয়। এ এলাকা থেকে খুলনায় যেতে পথিমধ্যে তিনিটি বাস পরিবর্তন করতে হয়। একমাত্র বিআরটিসির দু’টি বাস এ রুটে সরাসরিভাবে চলাচল করায় যাত্রীদের কাছে বিআরটিসি বাসই ভরসা। অথচ, সেই বাসের বেহাল দশা। তারা বাস দু’টি পরিবর্তন করে এ রুটে নতুন বাস দেয়ার দাবি জানান। বাস দু’টির সুপারভাইজার মোঃ রনি ও আল মামুন জানান, খুলনা ডিপো থেকে যে বাস বরাদ্ধ পেয়েছেন, তা চালাচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাদের কিছু করণীয় নেই। তবে, বাস পরিবর্তন করে ভালো বাস দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে বলা হয়েছে। খুলনা ডিপো ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ নাসিরুল হক জানান, মাত্র ক’দিন পূর্বে তিনি খুলনায় যোগদান করেছেন। চেষ্টা করা হচ্ছে এ রুটে নতুন বাস দেয়ার। আশা করছি খুব শীঘ্রই তা বাস্তবায়ন হবে।

Check Also

capture

কবিরাজি চিকিসৎসার নামে মেয়েদের ধর্ষণ করা হচ্ছে কিভাবে দেখুন!

কবিরাজি চিকিসৎসার নামে মেয়েদের ধর্ষণ করা হচ্ছে কিভাবে দেখুন! কবিরাজি চিকিসৎসার নামে মেয়েদের ধর্ষণ করা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *