Breaking News
Home > Slider > বাংলাদেশিদের হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল: প্রত্যক্ষদর্শী

বাংলাদেশিদের হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল: প্রত্যক্ষদর্শী

গুলশানের হামলাকারীরা বাংলাদেশিদের না মারার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা বলেছিল, কেবল বিদেশিরাই তাদের হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে। একজন প্রত্যক্ষদর্শীকে উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এসব কথা জানিয়েছে।
নিউ ইয়র্ক টাইমসকে নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া সেই প্রত্যক্ষদর্শীর নাম সুমির বরাই। হামলা হওয়া রেস্টুরেন্টের রাঁধুনি ছিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, হামলার সময় বাথরুমে লুকিয়ে ছিলেন তিনি। এক সময় তিনি টের পান, রেস্টুরেন্টে উপস্থিত মানুষদের বাছাই করা হচ্ছে। সে সময় একজন অস্ত্রধারী চিৎকার করে বলেন, ‘বাংলাদেশিরা বের হয়ে আসুন।’
সুমির ও তার সঙ্গে লুকিয়ে থাকা আটজন বাথরুমের দরজা খুলে বের হয়ে দুই সুবেশ তরুণকে দেখতে পান। তাদের পরনে ছিল জিন্সের প্যান্ট, গায়ে টি-শার্ট। তরুণদের একজন বলেন, ‘আপনাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা বাংলাদেশিদের মারবো না, শুধু বিদেশিদের মারবো।’

এ সময় সুমির রেস্টুরেন্টের চারপাশে চোখ বুলিয়ে মেঝেতে ছয় সাতটি মৃতদেহ দেখতে পান। গুলি ও ধারালো অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত সেই সব মরদেহ বিদেশিদেরই ছিলো বলে মনে করেছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর সড়কের এই রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলির ঘটনায় ডিবির সহকারী (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন নিহত হন। শনিবার সকালে রেস্টুরেন্টটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ছয় জঙ্গি নিহত হন।

সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাঈম আশফাক চৌধুরী প্রেস ব্রিফিয়েং জানান, রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডার বোল্ট’ এর সময় ২০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সবাই বিদেশি। অভিযানের আগেই তাদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস, সিএনএন

Check Also

রিমান্ডে নেবার পর যা বললেন আরাফাত সানি! দেখুন বিস্তারিত!!

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে এক নারীর করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *