Breaking News
Home > অপরাধ > পিতাকে হত্যার জন্য প্রেমিককে দিলেন ১.৫ লাখ টাকা!

পিতাকে হত্যার জন্য প্রেমিককে দিলেন ১.৫ লাখ টাকা!

১৯ বছর বয়সী একজন তরুণী নিজের পিতাকে হত্যা করার জন্য প্রেমিককে দেড় লাখ টাকা প্রদান করেছেন। তার পিতার একমাত্র দোষ হল, তরুণীর ভালবাসাকে মূল্যায়ন না করা।

ভারতের কইম্বাটর সেলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিভাগে পড়ুয়া ছাত্রি মহালক্ষি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। ডেক্কান ক্রনিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, মহালক্ষি তার বাবাকে মারার জন্য নিজের প্রেমিককে টাকা দিয়েছিলেন এবং সেই প্রেমিক কিছু বন্দুকধারীর ব্যবস্থা করেছিলেন।

মহালক্ষির বাবা ৬০ বছর বয়সী নাগরাজ একজন সার ব্যবসায়ী ছিলেন। ২৩শে মে রাতে নিজেদের গরুর খামারে গিয়েছিলেন। এরপর ২৪শে মে তার লাশ পাওয়া যায়। তার খামার থেকে কিছুদূরে একটি ব্রিজের নিচে তার লাশ ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ তার শরীরের উপর বিভিন্ন ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পায়।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করার পর তারা একটি এফআইআর দায়ের করে এবং অবিলম্বে তদন্ত শুরু করেন। পুলিশ নিহতের ১৯ বছর বয়সী কন্যা মহালক্ষি এবং তার প্রেমিক সাতিশের সম্পৃক্ততা সন্দেহ করে।

ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরের দিন সকালে সান্তোস কুমার (১৯), কৃষ্ণ কুমার (১৯), কমলা কানন (২১) এবং শশীকুমার (২২) কে গ্রেপ্তার করে। এরা সকলে সাতিশের বন্ধু। চার সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের পর, মহালক্ষি এবং সাতিশ কোয়াইম্বেতুরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

যখন পুলিশ মহালক্ষিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, তখন তিনি জানান, তার বাবার নিরক্ষরতার সুযোগ নিয়ে তার ব্যাংক থেকে টাকা তুলে তিনি তার প্রেমিককে একটি মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছেন। পরে তার বাবা তা জানতে পেরে তাকে ও তার মা কে ঘর থেকে বের করে দেন। কারণ নাগরাজের স্ত্রীও তার মেয়ের প্রেমে সায় দিয়েছিলেন।

পরে মহালক্ষি সোনার জিনিস বিক্রয় করে তার বাবাকে হত্যা করার জন্য প্রেমিকের নিকট টাকা দেয়। তার মতে তার বাবাকে হত্যা করে তিনি তার প্রেমিককে বিয়ে করতে পারবেন এবং বাবার সম্পত্তি পেতেও কোন সমস্যা হবে না।-সূত্র: ইন্ডিয়া টিভি।

Check Also

rohinga

বার্মার রোহিঙ্গা মুসলিমদের অত্যাচারের শেষ কোথায়…. (ভিডিও সহ)

বার্মার রোহিঙ্গা মুসলিমদের অত্যাচারের শেষ কোথায়…. (ভিডিও সহ) বার্মার রোহিঙ্গা মুসলিমদের অত্যাচারের শেষ কোথায়…. (ভিডিও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *